| 1 |
23 জানুয়ারি-2026, শুক্রবার, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী |
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু (১৮৯৭–১৯৪৫?) ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী নেতা, সাহসী সংগঠক ও আজাদ হিন্দ আন্দোলনের প্রাণপুরুষ।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়
জন্ম: ২৩ জানুয়ারি ১৮৯৭, কটক (বর্তমান ওডিশা)
পিতা: জানকীনাথ বসু
মাতা: প্রভাবতী দেবী
মৃত্যু: ১৮ আগস্ট ১৯৪৫? (তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনা—বিতর্কিত)
উপাধি: নেতাজী
স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা
আই.সি.এস. পরীক্ষায় সফল হয়েও ব্রিটিশ সরকারের চাকরি ত্যাগ করেন।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন (১৯৩৮, ১৯৩৯)।
মতাদর্শগত মতবিরোধে কংগ্রেস ত্যাগ করে ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেন।
জার্মানি ও জাপানের সহায়তায় আজাদ হিন্দ ফৌজ (INA) পুনর্গঠন করেন।
১৯৪৩ সালে আজাদ হিন্দ সরকার গঠন করে স্বাধীন ভারতের অস্থায়ী সরকার ঘোষণা করেন।
বিখ্যাত স্লোগান ও উক্তি
“তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।”
“দিল্লি চলো”
“জয় হিন্দ” (আজও ভারতের জাতীয় সম্ভাষণ)
আদর্শ ও ভাবনা
সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে বিশ্বাসী।
ধর্ম, ভাষা ও জাতিভেদ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভারতের স্বপ্ন দেখতেন।
শৃঙ্খলা, ত্যাগ ও আত্মবলিদানকে জাতি গঠনের মূল শক্তি মনে করতেন।
উত্তরাধিকার
নেতাজী শুধু একজন নেতা নন—তিনি সাহস, আত্মমর্যাদা ও নিঃশর্ত দেশপ্রেমের প্রতীক। তাঁর রহস্যময় অন্তর্ধান আজও ইতিহাসের এক আলোচিত অধ্যায়। |
23-12-2026 |
23-12-2026 |
Wednesday |
1 |
| 2 |
03 মার্চ 2026, মঙ্গলবার দোলযাত্রা |
|
03-03-2026 |
03-03-2026 |
Tuesday |
1 |
| 3 |
26 জানুয়ারি-2026, সোমবার, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান (IQRA ACADEMY) |
প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান
? তারিখ: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
? অনুষ্ঠান সূচী:
? সকাল ৯:০০ টা ➡️ ছাত্র-ছাত্রীদের পদযাত্রা।
? সকাল ১০:৩০ টা ➡️ পতাকা উত্তোলন। ➡️ জাতীয় সঙ্গীত। ➡️ প্রাথমিক বক্তব্য।
? সকাল ১০:০০ টা ➡️ অতিথি আপ্যায়ন ও সংবর্ধনা।
? বেলা ১১:০০ টা থেকে ➡️ ছাত্র-ছাত্রীদের বাংলা বক্তৃতা। ➡️ কবিতা পাঠ।
? বেলা ১২:০০ টা ➡️ ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা। ➡️ “প্রজাতন্ত্র দিবস। উপলক্ষে” বিশেষ প্রতিযোগিতা।
? বেলা ১:০০ টা ➡️ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
প্রজাতন্ত্র দিবস কী?
২৬ জানুয়ারি তারিখে প্রতি বছর ভারত প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করে। এই দিনে, ১৯৫০ সালে, ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় এবং ভারত একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
কেন ২৬ জানুয়ারি?
১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ ঘোষণা করেছিল।
সেই ঐতিহাসিক স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ২৬ জানুয়ারিকেই সংবিধান কার্যকরের দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
সংবিধান রচয়িতা (Chairman): ড. ভীমরাও আম্বেদকর
গৃহীত হয়: ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯
কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০
কীভাবে পালিত হয়?
দিল্লির কর্তব্য পথ (Kartavya Path)-এ রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ
জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন
রাজ্য ও জেলা স্তরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা
সাহসিকতা ও অসামান্য অবদানের জন্য পদ্ম পুরস্কার, বীরত্ব পুরস্কার প্রদান
প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব
সংবিধান ও নাগরিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা
গণতন্ত্র, ঐক্য ও জাতীয় সংহতির প্রতীক
নাগরিক হিসেবে কর্তব্য ও দায়িত্ব স্মরণ করার দিন
প্রাসঙ্গিক স্লোগান
“সংবিধান আমাদের অধিকার, দেশ আমাদের দায়িত্ব।”
|
26-01-2026 |
26-01-2026 |
Monday |
1 |
| 4 |
12 জানুয়ারি-2026 সোমবার, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন |
স্বামী বিবেকানন্দ (১৮৬৩–১৯০২) ছিলেন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক গুরু, দার্শনিক ও সমাজসংস্কারক। তাঁর আসল নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়
জন্ম: ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩, কলকাতা
মৃত্যু: ৪ জুলাই ১৯০২
গুরু: শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস
সংস্থা: রামকৃষ্ণ মিশন (১৮৯৭)
অবদান ও গুরুত্ব
১৮৯৩ সালে শিকাগোর বিশ্বধর্ম মহাসভায় তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে ভারতীয় দর্শন ও বেদান্তকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেন।
তিনি বেদান্ত, মানবসেবা, শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাসকে জীবনের মূল আদর্শ হিসেবে তুলে ধরেন।
তাঁর বিখ্যাত উক্তি— “উঠো, জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।”
যুবসমাজকে আত্মমর্যাদা, চরিত্রগঠন ও দেশসেবায় উদ্বুদ্ধ করেন। |
12-01-2026 |
12-01-2026 |
Monday |
1 |
| 5 |
নতুন বছরের দিন (New Year’s Day) |
তারিখ: জানুয়ারি ২০২৬ — বৃহস্পতিবার
ছুটি: নতুন বছরের দিন |
01-01-2026 |
02-01-2026 |
Thursday, Friday |
2 |
| 6 |
01 জানুয়ারি-2026, নতুন বছরের দিন (New Year’s Day) |
|
01-01-2026 |
02-01-2026 |
Thursday, Friday |
2 |